|আমাদের কথাযোগাযোগ
HPনভেম্বরের বিশেষ সংখ্যা72 বিশদ লেখাhubpro.clickজনস্বার্থ • দৈনন্দিন জ্ঞান • ভারতবাজেটের হিসাবনিজের অঙ্কে পরিকল্পনা করুন।
বিশেষ নজরঅর্থ ও সংসারডিজিটাল জীবনশিক্ষা ও কাজপড়ার তালিকা

পুরো পত্রিকায় খুঁজুন

অর্থ ও সংসার

নিয়মিত ওষুধের খরচ সংসারের বাজেটে রাখুন

নিয়মিত ওষুধের খরচের সঙ্গে ডাক্তারের ফি, পরীক্ষা, যাতায়াত ও ওষুধ আনার তারিখও ধরতে হয়। বর্তমান চিকিৎসার তালিকা থেকে হিসাব শুরু করুন। পেশাদারের পরামর্শ নিয়ে উপযুক্ত বিকল্প যাচাই করুন, যাতে টাকা বাঁচাতে গিয়ে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা বন্ধ না হয়।

অন্য ভাষায় পড়ুন
কলম ও হাতে লেখা নোট
বিষয় বোঝানোর জন্য ব্যবহৃত ছবি · Unsplash · কৃতজ্ঞতা ও স্বীকৃতি
এই লেখায়
  1. চলতি ওষুধ ও চিকিৎসার তালিকা বানান
  2. নির্ধারিত পরিমাণ থেকে প্রকৃত খরচ হিসাব করুন
  3. বিকল্প ওষুধ পেশাদারের সাহায্যে যাচাই করুন
  4. স্থানীয় সরকারি পরিষেবার খোঁজ নিন
  5. হাসপাতালের সুবিধা ও মাসিক ওষুধ আলাদা বুঝুন
  6. বর্তমান বিমায় কোন খরচ বাকি থাকে দেখুন
  7. সম্মান বজায় রেখে নিয়মিত ওষুধ আনার ব্যবস্থা করুন
  8. খরচ বাড়লে চিকিৎসা ও বাজেট পর্যালোচনা করুন
  9. সূত্র ও আরও পড়ার ঠিকানা

চলতি ওষুধ ও চিকিৎসার তালিকা বানান

মা-বাবার সম্মতি নিয়ে তাঁদের সঙ্গে বসে বর্তমানে কোন কোন ওষুধ চলছে লিখুন। নাম, শক্তি বা মাত্রা, ট্যাবলেট না অন্য কোনও ধরন, প্রেসক্রিপশনের সময়সূচি, চিকিৎসকের নাম ও পরের বার কেনার তারিখ রাখুন। বন্ধ হয়ে যাওয়া ওষুধ আলাদা করুন, যাতে ভুল করে আবার না কেনা হয়। দুটি প্রেসক্রিপশন নিয়ে সন্দেহ থাকলে চিকিৎসক বা যোগ্য ফার্মাসিস্টের সাহায্য নিন। এই তালিকা কাজ গুছিয়ে রাখবে; এটি নতুন প্রেসক্রিপশন নয়।

চিকিৎসকের পরামর্শমতো ব্যবহার করা যন্ত্র ও তার নিয়মিত সরঞ্জামও হিসাবের মধ্যে আনুন। প্রয়োজন হলে পরীক্ষার স্ট্রিপ, নির্ধারিত পরীক্ষা ও পরের সাক্ষাতের খরচ লিখুন। শুধু ওষুধের প্যাকেট দেখলে এই খরচ বাদ পড়তে পারে। মা-বাবা নিজের টাকা দিয়ে কী কিনছেন তাও জিজ্ঞাসা করুন। যিনি টাকা বা ওষুধ আনা সামলান, তাঁর প্রয়োজনীয় তথ্য জানলেই চলে। পরিবারের সবার কাছে অকারণে ব্যক্তিগত চিকিৎসার বিস্তারিত পাঠাবেন না।

এই অংশের সূত্র: [1], [2]

নির্ধারিত পরিমাণ থেকে প্রকৃত খরচ হিসাব করুন

প্রেসক্রিপশনের মাত্রা না বদলে দেখুন একটি প্যাকেট কত দিন চলবে। কেবল অঙ্ক বোঝানোর উদাহরণ: দিনে একটি ট্যাবলেট লাগলে তিরিশটি ট্যাবলেট তিরিশ দিন চলবে। একটি পাতায় পনেরোটি থাকলে ওই সময়ের জন্য দুটি পাতা লাগবে। কাল্পনিকভাবে প্রতি পাতার দাম ₹60 হলে মোট ₹120। এটি কোনও ওষুধের মাত্রা বা বাজারদরের পরামর্শ নয়। প্রকৃত প্যাকেট ও কেনার পরিমাণ সব সময় প্রেসক্রিপশন এবং বিল দেখে ঠিক করুন।

মাসের হিসাবে ডাক্তারের ফি, নির্ধারিত পরীক্ষা, যাতায়াত এবং প্রয়োজনীয় পরিচর্যাকারীর যাতায়াতও যোগ করুন। ধরুন তিন মাস অন্তর একটি পরীক্ষায় কাল্পনিকভাবে ₹1,200 লাগে। প্রতি মাসে ₹400 আলাদা করলে বিলের দিনে সুবিধা হবে। তবে টাকা এক মাসেই দিতে হবে, তাই ক্যালেন্ডারে আসল তারিখ রাখুন। কয়েকটি ওষুধ একই সপ্তাহে কিনতে হলে শুধু মাসিক গড় যথেষ্ট নয়। সেই সপ্তাহে হাতে কত টাকা থাকবে, সেটাও মিলিয়ে নিন।

এই অংশের সূত্র: [2]

বিকল্প ওষুধ পেশাদারের সাহায্যে যাচাই করুন

চিকিৎসক বা যোগ্য ফার্মাসিস্টকে জিজ্ঞাসা করুন একই প্রেসক্রিপশনের উপযুক্ত কম দামের বিকল্প আছে কি না। শুধু প্রধান উপাদান নয়, শক্তি, ওষুধের ধরন এবং শরীরে ধীরে না দ্রুত ছাড়ার বৈশিষ্ট্যও মিলতে হবে। দেখতে বা শুনতে কাছাকাছি নাম যথেষ্ট নয়। কিছু ওষুধ বা যন্ত্র বদলানোর সময় বিশেষ সতর্কতা দরকার। নিজের সিদ্ধান্তে ট্যাবলেট ভাঙা, গুঁড়ো করা বা খাওয়ার সময় বদলাবেন না। দামের তুলনা আর চিকিৎসার সিদ্ধান্ত আলাদা বিষয়।

পিএমবিআইয়ের জনঔষধি প্রকল্পে অনুমোদিত কেন্দ্রের মাধ্যমে জেনেরিক ওষুধ মেলে এবং পণ্য ও দামের তথ্য পাওয়া যায়। যাওয়ার আগে স্থানীয় কেন্দ্রে নির্দিষ্ট জিনিসটি আছে কি না জেনে নিন। ওয়েবসাইটে নাম থাকা মানেই কাছের দোকানে মজুত আছে, এমন নয়। প্রয়োজনীয় পরিমাণের দাম ও যাতায়াত একসঙ্গে তুলনা করুন। প্রতিটি প্রেসক্রিপশনে একই হারে সাশ্রয় হবে ধরে নেবেন না। ওষুধ না পেলে বাদ না দিয়ে পেশাদারের কাছে উপযুক্ত বিকল্প জানতে চান।

এই অংশের সূত্র: [1]

স্থানীয় সরকারি পরিষেবার খোঁজ নিন

কাছের সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পরামর্শ, মজুত ওষুধ, প্রয়োজনীয় নথি এবং পরের বার ওষুধ নেওয়ার নিয়ম জিজ্ঞাসা করুন। সব জায়গায় সরবরাহ বা অন্য কেন্দ্রে পাঠানোর ব্যবস্থা একই নয়। নির্দিষ্ট প্রশ্ন করুন: বর্তমান চিকিৎসা এখানে পর্যালোচনা করা যাবে কি, কবে ওষুধ পাওয়া যাবে, আর মজুত শেষ হলে কী করতে হবে? সময় ও যাতায়াত আগে জেনে নিলে মা-বাবার অপ্রয়োজনীয় সফর এবং পরিবারের কাজের সময় নষ্ট কম হবে।

বিনামূল্যের সরবরাহের বাস্তব ব্যবস্থা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত চলতি চিকিৎসা থামাবেন না। সরকারি পরামর্শ, কম দামের ওষুধের প্রকল্প এবং হাসপাতালে চিকিৎসার সুবিধা এক জিনিস নয়। সরকারি যোগাযোগের ঠিকানা ও সত্যিই চাওয়া নথির তালিকা রাখুন। নিশ্চিত বিনামূল্যের ওষুধ বা হাসপাতালের অনুমোদন দেওয়ার প্রতিশ্রুতিতে দালালকে টাকা দেবেন না। একাধিক কেন্দ্রে গেলে বর্তমান প্রেসক্রিপশন ও প্রাসঙ্গিক রিপোর্ট সঙ্গে নিন, যাতে চিকিৎসক আগের চিকিৎসা বুঝতে পারেন।

এই অংশের সূত্র: [1], [4]

হাসপাতালের সুবিধা ও মাসিক ওষুধ আলাদা বুঝুন

জাতীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় সত্তর বছর বা তার বেশি বয়সের প্রবীণরা আয় নির্বিশেষে পিএম-জেএওয়াইয়ের যোগ্যতার আওতায় আসেন। তবে নাম নথিভুক্ত করা ও প্রকল্পের নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া মানতে হয়। সরকারি মাধ্যমে পরিচয়পত্রের বয়স, দরকারি তথ্য এবং আগে থেকে থাকা সরকারি সুবিধার সঙ্গে সম্পর্ক যাচাই করুন। যোগ্য হলেই যে কোনও হাসপাতালে সব চিকিৎসা পাওয়া যায় না। স্থানীয় ব্যবস্থা, তালিকাভুক্ত হাসপাতাল ও অনুমোদিত চিকিৎসার প্যাকেজ এখনও গুরুত্বপূর্ণ।

পিএম-জেএওয়াইকে প্রতিটি বহির্বিভাগের সাক্ষাৎ বা সারা জীবনের মাসিক প্রেসক্রিপশনের টাকা দেওয়ার ব্যবস্থা ধরে বাজেট করবেন না। এটি নির্দিষ্ট হাসপাতালভিত্তিক চিকিৎসা ও প্যাকেজের সুবিধা দেয়। ওই প্যাকেজের সঙ্গে ওষুধের নিয়ম আর আলাদা করে নিয়মিত ওষুধ কেনা এক নয়। পরিকল্পিত চিকিৎসার আগে হাসপাতালের সরকারি সহায়তা ডেস্কে কী অন্তর্ভুক্ত জেনে নিন। নির্দিষ্ট সরবরাহ বা পেমেন্ট নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত নিয়মিত ওষুধের সংসারের বরাদ্দ বজায় রাখুন।

এই অংশের সূত্র: [3], [4]

বর্তমান বিমায় কোন খরচ বাকি থাকে দেখুন

মা-বাবার চালু স্বাস্থ্যবিমা বা কর্মসংস্থানসংক্রান্ত সুবিধার নথি পড়ুন। কাদের নাম আছে, কোন চিকিৎসা অন্তর্ভুক্ত, অপেক্ষার সময়, বাদ দেওয়া বিষয়, সীমা, ডিডাক্টিবল এবং কো-পেমেন্ট লিখে নিন। কাস্টমার ইনফরমেশন শিটের সঙ্গে মূল শর্তও দেখুন। কিছু পলিসিতে নির্দিষ্ট বহির্বিভাগের সুবিধা থাকে, অন্যগুলি প্রধানত হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য। বিমার কার্ড থাকলেই ফার্মেসির সব বিল জমা দিয়ে টাকা পাওয়া যাবে, এমন নয়।

পরিকল্পিত চিকিৎসার আগে বিমাকারী ও হাসপাতালের কাছে নেটওয়ার্ক এবং অনুমোদনের প্রক্রিয়া জানুন। নিজের অংশ, বাদ পড়া জিনিস ও যাতায়াতের টাকা সহজে ব্যবহার করা যায় এমনভাবে রাখুন। নতুন পলিসি আগে থেকেই প্রত্যাশিত চিকিৎসার খরচ সঙ্গে সঙ্গে দেবে ধরে নেবেন না। আবেদনে চাওয়া স্বাস্থ্যতথ্য সঠিক দিন। জটিল পছন্দে উপযুক্ত পরামর্শ নিন। এজেন্টের ভবিষ্যৎ অনুমোদনের কথার বদলে সত্যিই চালু থাকা সুবিধা ধরে পরিবারের হিসাব করুন।

এই অংশের সূত্র: [5]

সম্মান বজায় রেখে নিয়মিত ওষুধ আনার ব্যবস্থা করুন

বাড়িতে কত দিন চলার ওষুধ আছে এবং কেন্দ্রের দেওয়ার নিয়ম দেখে মনে করানোর তারিখ ঠিক করুন। সাক্ষাৎ বা মজুত যাচাইয়ের জন্য হাতে কিছু সময় রাখুন। শুধু ছাড় দেখে অনেক বেশি কিনবেন না। চিকিৎসা বদলাতে পারে; সংরক্ষণের নিয়ম এবং মেয়াদও গুরুত্বপূর্ণ। প্যাকেট ও পেশাদারের নির্দেশ মেনে রাখুন। হঠাৎ ওষুধের অভাব হলে দ্রুত চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টকে জানান। প্যাকেট বেশি দিন চালাতে নিজের সিদ্ধান্তে মাত্রা কমাবেন না।

অর্ডার, পেমেন্ট, সংগ্রহ ও বিল মিলিয়ে দেখার কাজ কে করবেন ঠিক করুন। সেই ব্যক্তি না থাকলে বিকল্প দায়িত্বশীল কেউ থাকুন। মা-বাবাকে তাঁদের নিজের পরিচর্যার সিদ্ধান্তে যুক্ত রাখুন। ভাইবোন খরচ ভাগ করলে ওষুধ কেনার আগেই অঙ্ক ও টাকা পাঠানোর দিন ঠিক করুন। রসিদ ভাগ করা যায়, কিন্তু অকারণে সব চিকিৎসার তথ্য ছড়ানো দরকার নেই। পরিবারের ফেরত টাকার তর্কের জন্য মা-বাবার জরুরি ওষুধ কেনা যেন আটকে না থাকে।

এই অংশের সূত্র: [2], [1]

খরচ বাড়লে চিকিৎসা ও বাজেট পর্যালোচনা করুন

বিল বাড়লে কারণ খুঁজুন: চিকিৎসা বদলেছে, পরীক্ষা বেড়েছে, দাম বেড়েছে, প্যাকেট ছোট হয়েছে, নাকি যাতায়াত বেশি লাগছে? একই পরিমাণের দাম তুলনা করুন এবং নতুন প্রেসক্রিপশন হিসাবের সঙ্গে রাখুন। উপযুক্ত কম দামের বিকল্প ও পরের সাক্ষাতের সময় চিকিৎসকের কাছে জানতে চান। কোনও ব্যক্তির কোন ওষুধ বা পরীক্ষা বাদ দেওয়া নিরাপদ, তা সাধারণ আর্থিক লেখা ঠিক করতে পারে না। সেই সিদ্ধান্ত যথাযথ চিকিৎসার বিষয়।

খরচ মেটানো সম্ভব না হলে চিকিৎসাকেন্দ্রকে স্পষ্ট করে সমস্যাটি বলুন এবং সঠিক পরিচর্যার মধ্যে সহায়তার পথ জানতে চান। জরুরি ওষুধ ফুরিয়ে এলে দ্রুত চিকিৎসার পরামর্শ নিন। টাকা মেলাতে ওষুধ কমিয়ে বা বন্ধ করে দেবেন না। পরিচর্যার বড় পরিবর্তনের পরে বার্ষিক খরচের ক্যালেন্ডার ও জরুরি সঞ্চয়ের লক্ষ্যও বদলান। আর্থিক ব্যবস্থা ভালো হলে চিকিৎসা নিয়মিত রাখা সহজ হয়; চিকিৎসার সিদ্ধান্ত যোগ্য পেশাদারের কাছেই থাকা উচিত।

এই অংশের সূত্র: [2], [1]

পাঠকের প্রশ্ন

একই উপাদানের জেনেরিক নিজে থেকে কেনা যাবে?

বিশেষত ওষুধের ধরন, ধীরে ছাড়ার বৈশিষ্ট্য, যন্ত্র বা নজরদারি লাগে এমন চিকিৎসা বদলালে চিকিৎসক বা যোগ্য ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন। উপাদানের সঙ্গে নির্ধারিত শক্তি ও ওষুধের ধরনও মিলতে হবে। কাছাকাছি নাম বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করার প্রমাণ নয়। পিএমবিআইয়ের তথ্য কোনও বিকল্প খুঁজতে সাহায্য করে; কিন্তু ব্যক্তিটির জন্য সেটি উপযুক্ত কি না, সেই পরামর্শের বদলি নয়।

পিএম-জেএওয়াই কি নিয়মিত মাসিক ওষুধের বিল দেবে?

ধরে নেবেন না। প্রকল্পটি নির্দিষ্ট হাসপাতালভিত্তিক চিকিৎসা ও সংশ্লিষ্ট প্যাকেজের সুবিধা দেয়। সাধারণ বহির্বিভাগের নিয়মিত ওষুধ আলাদা খরচ। সরকারি মাধ্যমে যোগ্যতা ও প্রকৃত সুবিধা জেনে নিন। নিয়মিত সরবরাহের জন্য স্থানীয় সরকারি কেন্দ্রে আলাদা করে প্রশ্ন করুন। অন্য কোনও নির্ভরযোগ্য ব্যবস্থা সত্যিই চালু না হওয়া পর্যন্ত পরিচিত মাসিক খরচ বাজেটে রাখুন। হাসপাতালের সুবিধাকে সীমাহীন ফার্মেসি বিল ফেরত ভাববেন না।

ওষুধ কেনার ঠিক আগে টাকা কম পড়লে কী করব?

দ্রুত চিকিৎসাকেন্দ্র বা যোগ্য ফার্মাসিস্টকে আর্থিক সমস্যাটি জানান। উপযুক্ত সরবরাহ, সরকারি কেন্দ্র বা অনুমোদিত সহায়তা আছে কি না জিজ্ঞাসা করুন। সংসারের ঐচ্ছিক খরচ ও জরুরি সঞ্চয় দেখুন, কিন্তু হাতে থাকা টাকার হিসাবে নিজে থেকে নির্ধারিত মাত্রা বদলাবেন না। অসুস্থতা জরুরি হলে বা অবস্থা খারাপ হলে যথাযথ চিকিৎসা নিন। বাজেটের হিসাব শেষ করার জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পিছিয়ে দেওয়া উচিত নয়।

সূত্র ও আরও পড়ার ঠিকানা

  1. Pharmaceuticals and Medical Devices Bureau of India: Janaushadhi FAQ ↗
  2. RBI: I Can Do — Financial Planning ↗
  3. National Health Authority: FAQs on PM-JAY benefits for senior citizens ↗
  4. National Health Authority: About Pradhan Mantri Jan Arogya Yojana ↗
  5. IRDAI: Health Department frequently asked questions — policy terms, Customer Information Sheet, claims and renewal ↗

এই সংখ্যার জন্য সূত্র যাচাই করা হয়েছে। প্রকল্পের নিয়ম, পণ্যের শর্ত ও স্থানীয় প্রয়োজন বদলাতে পারে; সিদ্ধান্তের আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে মিলিয়ে নিন।

AS
লেখক

অদিতি শর্মা

সংসারের বাজেট, সঞ্চয়, ঋণ ও আর্থিক সিদ্ধান্ত—নথি, সহজ অঙ্ক ও বাস্তব বিকল্প দিয়ে ব্যাখ্যা।

সম্পাদকীয় ছদ্মনাম · আরও পড়ুন →