|আমাদের কথাযোগাযোগ
HPনভেম্বরের বিশেষ সংখ্যা72 বিশদ লেখাhubpro.clickজনস্বার্থ • দৈনন্দিন জ্ঞান • ভারতবাজেটের হিসাবনিজের অঙ্কে পরিকল্পনা করুন।
বিশেষ নজরঅর্থ ও সংসারডিজিটাল জীবনশিক্ষা ও কাজপড়ার তালিকা

পুরো পত্রিকায় খুঁজুন

স্বাস্থ্য ও যত্ন

গরম কখন জরুরি বিপদ হয়ে ওঠে, চিনে নিন

প্রচণ্ড গরমে শুধু জলের বোতল সঙ্গে থাকলেই সব প্রস্তুতি শেষ হয় না। কাজের সময়, ছায়া, বিশ্রাম এবং অসুস্থ হলে বাড়ি ফেরার ব্যবস্থাও দরকার। বাইরের কাজে যুক্ত মানুষ ও তাঁদের পরিবারের জন্য এই নির্দেশিকায় রয়েছে লক্ষণ চেনা এবং জরুরি অবস্থায় করণীয়।

অন্য ভাষায় পড়ুন
সমতল জায়গায় স্টেথোস্কোপ
বিষয় বোঝানোর জন্য ব্যবহৃত ছবি · Unsplash · কৃতজ্ঞতা ও স্বীকৃতি
এই লেখায়
  1. কাজের জায়গার গরম বুঝে শুরু করুন
  2. হাতের কাছে নিরাপদ পানীয় জল রাখুন
  3. ওআরএস ও অতিরিক্ত লবণের পার্থক্য বুঝুন
  4. বিরতিকে কাজের ব্যবস্থার অংশ করুন
  5. প্রাথমিক লক্ষণ দেখা দিলে থামুন
  6. বিভ্রান্তি ও অজ্ঞান হওয়ায় জরুরি ব্যবস্থা
  7. বাড়ি ফেরার ব্যবস্থা ও বিশ্রাম
  8. এক পাতায় দরকারি পরিকল্পনা লিখুন
  9. সূত্র ও আরও পড়ার ঠিকানা

কাজের জায়গার গরম বুঝে শুরু করুন

ডেলিভারি করা, ফুটপাথে দোকান চালানো এবং নির্মাণস্থলে কাজ করার মধ্যে গরমের সংস্পর্শ এক রকম নয়। সরাসরি রোদ, বাতাসের আর্দ্রতা, ভারী জিনিস তোলা, সুরক্ষার পোশাক এবং যন্ত্রের গরম হাওয়া সবই বিবেচ্য। ফোনে দেখানো তাপমাত্রা দিয়ে সম্পূর্ণ পরিস্থিতি বোঝা যায় না। বেরোনোর আগে ভাবুন, কোন পথে সবচেয়ে বেশি সময় ছায়া থাকবে না, কোথায় পানীয় জল মিলবে এবং কোন কাজটি দিনের অপেক্ষাকৃত ঠান্ডা সময়ে করা যাবে।

অসুখ বা কয়েক দিনের বিরতির পরে কাজে ফিরলে প্রথম দিনেই আগের পরিমাণ কাজ করার চাপ নেবেন না। ধীরে কাজ বাড়ানো এবং বেশি বিরতির বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলুন। নিজের কাজ হলে ছোট ছোট পর্বে ভাগ করুন। আগে থেকেই বসার মতো ছায়ার জায়গা ঠিক রাখুন। আবহাওয়া বা কাজের চাপ বদলালে পরিকল্পনাও বদলাতে হবে। অসুস্থ হয়ে পড়ার পরে পরিস্থিতি সামলানোর চেয়ে আগেই গতি কমানো অনেক বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত।

বিদ্যুৎ না থাকলে পরিচিত ঠান্ডা জায়গার বিকল্প আগে দেখুন। দরকারি সময় খোলা এবং পৌঁছনো সম্ভব কি না নিশ্চিত করুন। শুধু নাম লিখলেই ব্যবস্থা হয় না। পরিবারের অন্য সদস্যকে ঠিকানা জানান এবং কাজ শুরু করার আগে বিকল্পটি ব্যবহার করা যাবে কি না যাচাই করুন।

এই অংশের সূত্র: [1], [3]

হাতের কাছে নিরাপদ পানীয় জল রাখুন

পরিষ্কার বোতল নিয়ে বেরোন এবং কোথায় তা আবার ভরা যাবে নিশ্চিত করুন। রাস্তার প্রতিটি কলের জল পানযোগ্য ধরে নেওয়া ঠিক নয়। কাজের ফাঁকে নিয়মিত অল্প অল্প জল পান করুন। ঘাম, পরিশ্রম ও তৃষ্ণার মাত্রা আলাদা হয়; তাই সবার জন্য নির্দিষ্ট বোতল বা লিটারের হিসাব যথাযথ নয়। হৃদ্‌যন্ত্র বা কিডনির সমস্যার জন্য জল সীমিত রাখতে বলা হলে গরমের দিনের ব্যবস্থা চিকিৎসকের সঙ্গে ঠিক করুন।

ধরা যাক, একজন চালক পথটিকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করলেন। প্রতিটি ভাগের শেষে জল ও ছায়ার বিরতি রাখা গেল। সকালে বোতল পূর্ণ ছিল কি না, তার চেয়ে যানজটে দেরি হলে জল থাকবে কি না বেশি জরুরি। অতিরিক্ত কিছু জল রাখুন। অ্যালকোহল বা খুব বেশি ক্যাফেইনযুক্ত পানীয়কে জল খাওয়ার বিকল্প ভাববেন না। অনলাইনে দেখা লক্ষ্য পূরণ করার জন্য একসঙ্গে জোর করে প্রচুর জল পান করাও ভালো পরিকল্পনা নয়।

এই অংশের সূত্র: [1]

ওআরএস ও অতিরিক্ত লবণের পার্থক্য বুঝুন

ঘামের সঙ্গে জল ও লবণ বেরিয়ে যায়, কিন্তু বাইরে কাজ করলেই সবার আলাদা ইলেকট্রোলাইট দরকার হয় না। সাধারণ খাবার ও জল অনেক সময় যথেষ্ট হতে পারে। দীর্ঘ সময় প্রচুর ঘাম হলে বা অসুস্থ থাকলে প্রয়োজন বদলাতে পারে। বারবার পেশিতে টান, মাথা ঘোরা বা অন্য রোগ থাকলে স্বাস্থ্যকর্মীর পরামর্শ নিন। নিয়ম করে লবণের বড়ি খাওয়া সমাধান নয়। প্রতিটি বোতলে বেশি নুন মেশালেও সমস্যা হতে পারে।

ওআরএস ব্যবহার করলে প্যাকেটে যতটা নিরাপদ জলে মেশাতে বলা হয়েছে, ঠিক ততটাই নিন। সব প্যাকেট একই পরিমাণ জলের জন্য তৈরি নয়। বেশি ঘন করলে বেশি কাজ হবে না। কখন তৈরি হয়েছে লিখে রাখুন এবং সংরক্ষণের নির্দেশ মানুন। মিষ্টি ঠান্ডা পানীয়, বেশি নুন দেওয়া ঘরোয়া শরবত ও সঠিক অনুপাতে তৈরি ওআরএস এক জিনিস নয়। গরমে অসুস্থ ব্যক্তিকে পানীয় দেওয়া যাবে শুধু তিনি পুরো সচেতন এবং নিরাপদে গিলতে পারলে।

এই অংশের সূত্র: [1], [2]

বিরতিকে কাজের ব্যবস্থার অংশ করুন

জল পান করলেই বিশ্রামের প্রয়োজন মেটে না। কোথায় বিরতি হবে, তখন কাজ কে সামলাবেন এবং অসুস্থ লাগলে কাকে জানাতে হবে আগে ঠিক করুন। ছায়ার জায়গাটি ব্যবহারযোগ্য হতে হবে; অনেক দূরের বন্ধ ঘর কোনো সাহায্য করে না। সম্ভব হলে ভারী কাজ অপেক্ষাকৃত ঠান্ডা সময়ে রাখুন। কাজের জন্য নির্ধারিত সুরক্ষার সরঞ্জাম ঠিকভাবে পরুন। তার সঙ্গে উপযুক্ত ঢিলেঢালা পোশাক ও মাথা ঢাকার ব্যবস্থাও বিবেচনা করুন।

একজন দোকানদার একা থাকলে পাশের দোকানি অল্প সময় দেখাশোনা করতে পারেন। রোদে গরম হয়ে থাকা দেওয়াল থেকে চেয়ার সরিয়ে রাখা এবং বোতল হাতের কাছে রাখাও কাজে আসে। এগুলি ব্যবস্থাপনার উদাহরণ, নিশ্চিত নিরাপদ সময়সূচি নয়। কত ঘন ঘন এবং কতক্ষণ বিরতি লাগবে তা কাজ ও পরিবেশের উপর নির্ভর করে। মালিক বা তত্ত্বাবধায়কেরও ঝুঁকি মূল্যায়নের দায়িত্ব আছে। শুধু কর্মীকে সতর্ক থাকতে বললে কাজের পরিস্থিতির সমস্যা মেটে না।

এই অংশের সূত্র: [1], [3]

প্রাথমিক লক্ষণ দেখা দিলে থামুন

মাথাব্যথা, দুর্বলতা, মাথা ঘোরা, বমিভাব, পেশিতে টান ও বেশি ঘাম গরমে অবসাদের লক্ষণ হতে পারে। কাজ বন্ধ করে ঠান্ডা জায়গায় যান, অপ্রয়োজনীয় পোশাক খুলুন এবং জল ও বাতাস দিয়ে শরীর ঠান্ডা করুন। পুরো সচেতন ও গিলতে সক্ষম ব্যক্তি ঠান্ডা জল বা উপযুক্ত পুনর্জলায়নের পানীয় নিতে পারেন। কাউকে সঙ্গে রাখুন। শুধু আবহাওয়া গরম বলে সব অসুস্থতাকে একই কারণের বলে ধরে নেওয়া উচিত নয়।

কখন সমস্যা শুরু হল, কী কাজ হচ্ছিল, কতটা পানীয় নেওয়া হয়েছে এবং কী ওষুধ চলে লিখে রাখলে চিকিৎসার সময় সুবিধা হবে। অসুস্থ চালককে একা মোটরসাইকেল চালিয়ে বাড়ি পাঠাবেন না। অবস্থা খারাপ হলে, জল খেতে না পারলে বা ঠান্ডা করার পরেও দ্রুত উন্নতি না হলে জরুরি চিকিৎসা নিন। গুরুতর লক্ষণ থাকলে নির্দিষ্ট সময় অপেক্ষা করার নিয়ম প্রযোজ্য নয়। সহকর্মীর অভিযোগকে সাধারণ ক্লান্তি বলে উড়িয়ে দেবেন না।

এই অংশের সূত্র: [2]

বিভ্রান্তি ও অজ্ঞান হওয়ায় জরুরি ব্যবস্থা

গরমে থাকার পরে বিভ্রান্তি, ভারসাম্য হারানো, খিঁচুনি বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া জরুরি লক্ষণ। ঘাম হলেও হিটস্ট্রোক হতে পারে। স্থানীয় জরুরি পরিষেবায় যোগাযোগ করে ঠিকানা এবং লক্ষণ বলুন। বিপদমুক্ত ঠান্ডা জায়গায় নিয়ে গিয়ে সাহায্য আসার সময় জল ও বাতাস দিয়ে শরীর ঠান্ডা করা শুরু করুন। ফোন করার জন্য শীতলীকরণ পিছিয়ে রাখবেন না। একজন ফোন করতে পারেন, অন্যজন অসুস্থ ব্যক্তির পাশে থেকে সাহায্য করতে পারেন।

বিভ্রান্ত, অত্যন্ত ঝিমিয়ে থাকা, অচেতন বা ঠিকমতো গিলতে না পারা ব্যক্তিকে কিছু পান করাবেন না। শ্বাসপ্রশ্বাস, শরীরের অবস্থান এবং সিপিআর সম্পর্কে জরুরি পরিষেবার নির্দেশ শুনুন। থার্মোমিটার বা ওষুধ খুঁজতে গিয়ে তাঁকে একা রেখে যাবেন না। জ্বরের ওষুধ হিটস্ট্রোকের চিকিৎসা নয়। একজন উদ্ধারকারীদের পথ দেখান, অন্যজন ভিড় সরান। দুর্ঘটনা বা ঘাড়ে আঘাতের সম্ভাবনা থাকলে অপ্রয়োজনীয় নড়াচড়া এড়িয়ে নির্দেশ অনুযায়ী সাহায্য করুন।

এই অংশের সূত্র: [2], [3]

বাড়ি ফেরার ব্যবস্থা ও বিশ্রাম

কঠিন শিফটের পরে অপেক্ষাকৃত ঠান্ডা জায়গা, খাবার, ব্যক্তির উপযুক্ত পরিমাণ পানীয় এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম দরকার। যথেষ্ট অসুস্থ হয়ে থাকলে আবার ভারী কাজে ফেরার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। এক গ্লাস জল খেয়ে মাথা ঘোরা কমলেই মোটরসাইকেল বা যন্ত্র চালানো নিরাপদ হয়ে যায় না। মনোযোগ কম থাকলে অন্য যাতায়াতের ব্যবস্থা করুন অথবা আরও বিশ্রাম নিন। রোজগারের চিন্তার মধ্যেও এই বিকল্প আগে ঠিক করে রাখা ভালো।

পরিবার শুধু সব ঠিক আছে কি না জিজ্ঞাসা না করে মাথাব্যথা, বমি, অস্বাভাবিক ক্লান্তি এবং খাবার ও জল নেওয়ার কথা জানতে পারে। বাড়ির সবচেয়ে ঠান্ডা শোওয়ার জায়গা প্রস্তুত রাখুন। রাতে ঘরের গরমে বিশ্রাম না হলে সাময়িক অন্য ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করুন। কাজ বন্ধ করায় দোষারোপ করলে পরের বার মানুষ অসুস্থতা লুকোতে পারেন। বিশ্রামকে অলসতা বলবেন না। আবার সমস্যা বাড়লে আগের ঘটনার তথ্য সঙ্গে নিয়ে চিকিৎসা নিন।

এই অংশের সূত্র: [1], [2]

এক পাতায় দরকারি পরিকল্পনা লিখুন

কাজের ঠিকানা, জল ভরার স্থান, ছায়া, জরুরি যোগাযোগ এবং কে খোঁজ নেবেন এক পাতায় লিখুন। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক রোগ ও ওষুধের তথ্য রাখুন। কোনো ওষুধ গরম সহ্য করার ক্ষমতা বা জলের ভারসাম্য বদলাতে পারে বলে নিজে থেকে বন্ধ করবেন না। প্রচণ্ড গরম, বমি বা খাওয়াদাওয়া কমে গেলে কী করতে হবে তা যিনি ওষুধ দিয়েছেন তাঁকে জিজ্ঞাসা করুন। পরিবারের অন্য সদস্যকেও ব্যবস্থা বুঝিয়ে দিন।

পথে জল শেষ হয়ে গেলে, পরিচিত দোকান বন্ধ থাকলে বা ফোনে নেটওয়ার্ক না পেলে পরিকল্পনা সংশোধন করুন। বিকল্প জল ভরার জায়গা ও সহজে চেনা ঠিকানা লিখে রাখুন। বয়স্ক এবং একা থাকা প্রতিবেশীদেরও খোঁজ নিন। সবাই ক্লান্ত বা চিন্তিত থাকলে ছোট স্পষ্ট ব্যবস্থা বেশি কাজে আসে। সুন্দর তালিকা বানানোই উদ্দেশ্য নয়; যানজট, কাজের তাড়া এবং আয়ের উদ্বেগের মধ্যেও ব্যবহার করা যাবে এমন প্রস্তুতিই আসল।

এই অংশের সূত্র: [3]

পাঠকের প্রশ্ন

সব কর্মীর কি স্পোর্টস ড্রিঙ্ক দরকার?

না। সহজে পাওয়া পানীয় জল, নিয়মিত খাবার এবং শরীর ঠান্ডা করার বিরতিই ভিত্তি। দীর্ঘ সময় খুব বেশি ঘাম হলে প্রয়োজন বদলাতে পারে, কিন্তু মিষ্টি পানীয় ছায়ার বিকল্প নয়। কিডনি বা হৃদ্‌যন্ত্রের রোগ থাকলে জল ও ইলেকট্রোলাইট সম্পর্কে আলাদা পরামর্শ নিন। নিয়মিত লবণের বড়ি খাবেন না এবং নিজের মতো খুব ঘন নুনের পানীয় তৈরি করবেন না।

ঘাম হলে কি হিটস্ট্রোক বাদ দেওয়া যায়?

না। ঘাম থাকলেও হিটস্ট্রোক হতে পারে। গরমে থাকার পরে বিভ্রান্তি, খিঁচুনি, পড়ে যাওয়া বা চেতনা কমে গেলে জরুরি সাহায্য এবং শীতলীকরণ দরকার। ত্বক শুকনো হওয়া বা তাপমাত্রা মাপার জন্য অপেক্ষা করবেন না। অবস্থান ও লক্ষণ পরিষেবাকে জানান, পাশে থাকুন এবং নিরাপদে গিলতে না পারলে কিছু পান করাবেন না।

তাপপ্রবাহের আগে পরিবার কী প্রস্তুত রাখবে?

পরিষ্কার বোতল, পানীয় জল, ঠান্ডা ঘরে যাওয়ার সুযোগ, চার্জ দেওয়া ফোন এবং যোগাযোগের ব্যবস্থা রাখুন। বয়স্ক বা সীমিত জল খাওয়ার নির্দেশ আছে এমন সদস্যের জন্য চিকিৎসকের পরিকল্পনা নিন। বাইরের কর্মীর পথ ও ছায়ার বিরতিগুলি দেখুন। অসুস্থ হলে নিজে গাড়ি চালিয়ে ফেরার পরিবর্তে অন্য উপায়ও ঠিক রাখুন। কাগজের তালিকার সঙ্গে বাস্তবে সেই সুবিধা আছে কি না যাচাই করুন।

সূত্র ও আরও পড়ার ঠিকানা

  1. WHO: Heatwaves—how to stay cool ↗
  2. NHS: Heat exhaustion and heatstroke ↗
  3. WHO: Heat and health ↗

এই সংখ্যার জন্য সূত্র যাচাই করা হয়েছে। প্রকল্পের নিয়ম, পণ্যের শর্ত ও স্থানীয় প্রয়োজন বদলাতে পারে; সিদ্ধান্তের আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে মিলিয়ে নিন।

NR
লেখক

নন্দিনী রাও

সাধারণ স্বাস্থ্যজ্ঞান, যত্নের অভ্যাস এবং চিকিৎসককে করার মতো প্রশ্ন। এই লেখাগুলি রোগনির্ণয় বা চিকিৎসা নির্ধারণ করে না।

সম্পাদকীয় ছদ্মনাম · আরও পড়ুন →